শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সময়

শিরোনাম:

● আলিমে পাসের হার ৬১.৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন ● এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেলেন ৪০ হাজার ৮৪ জন ● মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হলে দক্ষিণ এশিয়ায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হতে পারে ● টানা ছুটি শেষে কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে বেনাপোল বন্দরে ● মনপুরায় বিএনপির সহ-সভাপতি সেলিম মোল্লার বিরুদ্ধে জেলেদের সরকারি চাল বিক্রির অভিযোগ ● ইসরাইলে নির্বাচন শেষে অচলাবস্থা,সরকার গঠনে সামনে ৪ পথ খোলা রয়েছে ● বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফের মোটরসাইকেল টঙ্গী থেকে উদ্ধার ● দুই আসামি গ্রেপ্তার, নগদ ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ও তিনটি স্ট্যাম্প জব্দ ● ৮৭ কোটি টাকার কাজে অনিয়মের অভিযোগ,পরিদর্শনে এমপি নুরুল ইসলাম ● ব্যাপক অনিয়ম ও বলপ্রয়োগের অভিযোগ জামায়াতের,ইসির নিষ্ক্রিয়তায় গভীর উদ্বেগ....সেক্রেটারি
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

গজারিয়ায় নিষিদ্ধ জালে সংকটে দেশি মাছ.

জুয়েল দেওয়ান, গজারিয়া.

প্রকাশ : শনিবার, ৩১ অক্টোবর,২০২৬, ০৮:৪৬ এ এম
গজারিয়ায় নিষিদ্ধ জালে সংকটে দেশি মাছ.
 
 
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিষিদ্ধ জাল এবং  বৈদ্যুতিক শক ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছের পাশাপাশি প্রজননক্ষম মা মাছ ও পোনা ধ্বংস হওয়ায় দেশীয় মাছ ও জলজ জীব বৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
 
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার নদী-নালা ও খাল-বিলের বিভিন্ন পয়েন্টে একশ্রেণির অসৎ জেলে ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বাঁশের বানা ও ঘের তৈরি করে মাছ ধরছেন। এসব ঘেরে অবাধে ব্যবহার করা হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, চায়না দুয়ারি জাল ও ভৈরব জালের মতো ক্ষতিকর উপকরণ। এসব সূক্ষ্ম ফাঁসের জালে ছোট-বড় কোনো মাছই রেহাই পাচ্ছে না। 
 
বিশেষ করে মাছের প্রজননকালে এবং পরবর্তী সময়ে খাল বিল থেকে পানি নামার সময় রেণু পোনা ও ডিমওয়ালা মা মাছ নিধন করা হচ্ছে। ফলে টেংরা, পুঁটি, মলা, ঢেলা, কাঁচকি, চান্দা, খলশে, পাবদা, শিং, মাগুর, কই, বেলে ও বাইমের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রজাতিগুলো আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। 
 
নয়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মোতালেব দেওয়ান অভিযোগ করে বলেন, অবৈধ রিং জাল, ভৈরব জাল ও বৈদ্যুতিক শক দিয়ে ছোট-বড় সব মাছ নির্বিচারে শিকার করা হচ্ছে। পানি নামার মুখে এভাবে পোনা ও মা মাছ ধ্বংস করা হলে দেশীয় মাছ বংশবৃদ্ধির কোনো সুযোগ পাবে না।
 
স্থানীয়রা এসব ক্ষতিকর জালের ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন।
 
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুস সামাদ বলেন, “মুক্ত জলাশয়ে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। এ ধরনের জালের ব্যবহার রোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)