মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় ব্রিটিশ আমল থেকে ব্যবহৃত একটি চলাচলের রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে পথ সংকীর্ণ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তবে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকের দাবি, নিজের জমি রক্ষায় তিনি বেড়া দিচ্ছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার পশ্চিম মটুকপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কালভার্টসংলগ্ন মোল্লা বাড়ি থেকে হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত চলাচলের রাস্তার প্রবেশমুখে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আমির হোসেন হালদারের ছেলে আনোয়ার হালদার, লিটন হালদার, লিপি আক্তার ও রিতা আক্তার রাস্তার ওই অংশে বেড়া দিচ্ছেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত রাস্তাটি সংকুচিত হয়ে পড়তে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা রমজান খান বলেন, “ব্রিটিশ আমল থেকে এই রাস্তা দিয়ে মানুষ চলাচল করছে। সোমবার সকালে ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় দেখি, আনোয়ার হালদাররা রাস্তায় কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে পথ সংকীর্ণ করছেন। আমি বেড়া দিতে নিষেধ করলে তাঁরা আমাকে বকাঝকা করেন এবং মারধর করতে তেড়ে আসেন। পরে বিষয়টি চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়েছি।”
আরেক স্থানীয় বাসিন্দা হারুন অর রশিদ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তা দিয়ে এলাকার মানুষ চলাচল করছেন। এলাকাবাসীর কাছ থেকে টাকা তুলে এবং নিজেদের অর্থায়নে রাস্তাটি উঁচু করা হয়েছে। সবার সম্মিলিত সিদ্ধান্তে রাস্তাটি উন্নত করা হয়েছিল। এখন সেখানে বেড়া দেওয়ায় চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে আনোয়ার হালদার বলেন, “আমার জমি দিয়ে এত বড় রাস্তা আমি দেব না। দুই হাত রাস্তার জন্য রেখে আমার জায়গায় আমি বেড়া দিচ্ছি।”
এব্যাপারে ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আকতার হোসেন মোল্লা বলেন, এই রাস্তাটি জনসাধারণের জন্য করা হয়েছে। তিন দফায় সরকারি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নাই। যদি কেউ রাস্তা বন্ধ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।